• ৯ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Governor Of West Bengal,

রাজ্য

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, হাসপাতালে গেলেন রাজ্যপাল

অসুস্থ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে শনিবার ভর্তি করা হল হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, এদিন তাঁর অক্সিজেনের মাত্রা ৭০-এর নীচে নেমে গিয়েছিল। কমে গিয়ছিল পটাশিয়ামের মাত্রাও। এদিন সকাল ১১টা থেকেই তাঁর সমস্যা শুরু হয়। সেই কারণেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের অবস্থা স্থিতিশীল বলেই হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।চিকিৎসক কৌশিক চক্রবর্তী, ধ্রুব ভট্টাচার্য, সৌতিক পণ্ডা, সুস্মিতা দেবনাথ, আশিস পাত্র, অঙ্কন বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তর্ষি বসু ও সরোজ মণ্ডলের মত পালমোনোলজিস্ট, ক্রিটিক্যাল কেয়ার, মেডিসিন-সহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে আট সদস্যের এক মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। এই মেডিক্যাল টিমই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে কথা বলেই চিকিৎসা করছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে সি-প্যাপ সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে।তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল শনিবার সংস্কৃত কলেজের অনুষ্ঠানে ছিলেন। সেখানে তিনি খবর পান। তারপর সেখান থেকে সোজা চলে যান হাসপাতালে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখার পর রাজ্যপাল জানান, দক্ষ চিকিৎসকরা তাঁর দেখভাল করছেন। আশা করা যায়, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। সিপিএমের তরফে রবীন দেবও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অক্সিজেনের মাত্রা বর্তমানে স্বাভাবিকের পথে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দিকে। হাসপাতালের তরফে নিয়মিত মেডিক্যাল বুলেটিনে যাবতীয় বিষয়গুলো জানানো হবে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইট করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। টুইট করেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষও।দীর্ঘদিন ধরেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য অসুস্থ। বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল। মাঝে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। শ্বাসকষ্ট, সিওপিডিও এবং বার্ধক্যজনিত সমস্যায় রয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর। এদিন তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটার পর পরিবারের লোকজন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে খবর দেন। তারপরই হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন পাম এভিনিউয়ের বাড়ি থেকে বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ ক্রিটিক্যাল কেয়ারের অ্যাম্বুল্যান্সে চাপিয়ে আনা হয় হাসপাতালে। অ্যাম্বুল্যান্সে ছিলেন সপ্তর্ষি বসু-সহ দুজন চিকিৎসকও। এরপর গ্রিন করিডরে অ্যাম্বুল্যান্স চালিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আনা হয় দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে। এদিন বাড়িতে রুটিন চেক আপে ধরা পড়ে মুখ্যমন্ত্রী অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছে। তবে হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যাপারে বরাবর অনীহা রয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের।

জুলাই ২৯, ২০২৩
কলকাতা

Assembly: বড় খবর: বিধানসভায় নজিরবিহীন! ৭ মিনিটের ভাষণ দিয়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল

বিধানসভা অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজই। তার আগে এমন যে কিছু একটা ঘটবে তার আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল আগে থেকেই। ঘটলও ঠিক তাই। মাত্র সাত মিনিটে ভাষণ শেষ করে বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল। আর এমন নজিরবিহীন ঘটনার পিছনে রয়েছে বিরোধীদের তুমুল হইহট্টগোল। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে রাজ্যপাল বললে বিজেপি বিধায়করা হইচই করতে পারেন। দলের পরিষদীয় বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর ছিল। কিন্তু, রাজ্যপালের ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত কোনও কিছু না থাকার কারণেই বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলে থমকে যায় রাজ্যপালের ভাষণ। প্রথমে স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ফের শুরু হয় ভাষণ। কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চলেনি। সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়েই বেরিয়ে যান রাজ্যপাল। রাজ্যপাল ভাষণ শুরু করতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের পোস্টার নিয়ে আসন ছেড়ে ওয়েলে নেমে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য বিধায়করা। উল্লেখ্য, এর আগে বিধানসভা অধিবেশনে এরকম বিরোধী হট্টগোলের অনেক নজির রয়েছে। কিন্তু রাজ্যপালের এরকম ভাষণ না দিয়ে বেরিয়ে আসার ঘটনা পরিষদীয় ইতিহাসে প্রথম। আশ্চর্যজনকভাবে এদিন বিরোধীদের হট্টগোলের পালটা কোনও ঝামেলা করতে দেখা যায়নি সরকারপক্ষের কাউকেই।

জুলাই ০২, ২০২১
রাজনীতি

কেন পদত্যাগ? জানালেন রাজীব

রাজভবন থেকে বেরিয়েই পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন সদ্য পদত্যাগী বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন তিনি রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন সে কথাই বলছিলেন সাংবাদিকদের। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনি আড়াই বছর আগে যখন তাঁকে সেচ দপ্তর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তখনই পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে নিরস্ত্র করেন।রাজীব এদিন সাংবাদিকদের জানান, তিনি দুদিনের উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন। বন্যা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সেচ দপ্তরে বৈঠক করেছেন। পাশাপাশি সাংগঠনিক বৈঠকও অংশ নিয়েছিলেন। তৃণমূল ভবনে তাঁর সপ্তাহে দুদিন বসার কথা ছিল। সেখান থেকে এসেই তিনি তৃণমূল ভবনে বসেছিলেন। তৃনমূল ভবনে বসে টিভির ব্রেকিং নিউজ দেখে জানতে পারেন তাঁকে সেচ দপ্তর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাজ্য মন্ত্রিসভায় থাকবেন না। তা তিনি জানিয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন তাঁকে মন্ত্রীসভা থেকে সরে যেতে নিষেধ করেন। কাজের সুযোগ দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানান রাজীব।তিনি জানান, তিনি বাংলার মানুষের জন্য কাজ করতে চান। কিন্তু কোন প্লাটফর্মে কাজ করবেন তিনি জানেন না। তবে তিনি মানুষের জন্য কাজ করবেন। এ কথা বলতে গিয়েই অঝোরে কেঁদে ফেলেন হাওড়া ডোমজুড়ের বিধায়ক। আর কোনও প্রশ্নের তিনি জবাব না দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে রাজভবনের গেট থেকে গাড়িতে উঠে যান।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির

রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল বিজেপি। সো্মবা্র রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে আসার পর সাংবাদিক সম্মেলনে অর্জুন সিং বলেন, বিজেপি ও মণীশ শুক্লার বাবার পক্ষ থেকে সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়েছে। রাজ্যপাল বলেছেন, তিনি সাংবিধানিকভাবে যা করার করবেন।মমতার সরকারের পুলিশের উপর ভরসা নেই। মনোজ ভার্মার বিরুদ্ধে তিনি লিখিত অভিযোগ করেছেন বলেও জানান। এছাড়াও বিজেপির প্রতিনিধিদলে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়,কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়। মনীশ শুক্লার বাবা রাজ্যপালকে বলেন, পুলিশ খুনের মামলা রুজু করতে চাইনি। পুলিশ বলেছিল অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা।এদিকে এদিন বিকেলে এনআরএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মণীশের ময়নাতদন্ত হয়। তার পরেই তাঁর দেহ নিয়ে এসএন ব্যানার্জি রোড ধরে রাজভবনের উদ্দেশে এগোতে শুরু করেন বিজেপি নেতারা।মৃতদেহ নিয়ে এগোতে শুরু করলে, কলকাতা পুলিশের তরফে বিজেপি নেতাদের বলা হয়, যে মরদেহ নিয়ে রাজভবনে যাওয়ার অনুমতি নেই। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেননি বিজেপি নেতারা। এসএন ব্যানার্জি রোড ধরে তাঁরা এগোতে থাকেন। এক সময়ে নিউ মার্কেট চত্বরে পুলিশ ব্যারিকেড করে দেয়।এরপরেই রাজভবনে সরাসরি ফোন করেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তার পরে সেই ফোনেই রাজভবনের সঙ্গে ডিসি সেন্ট্রালকে কথা বলিয়ে দেন তিনি। রাজভবনের সঙ্গে কথা বলার পরে ডিসি জানান, প্যারাডাইস সিনেমা হলের সামনে মৃতদেহ ও গাড়ি রেখে বিজেপির চার জন সদস্য রাজভবনে যাবেন। শেষমেশ মৃতদেহ নিয়ে গাড়িটি চলে যায় টিটাগড়ের দিকে।

অক্টোবর ০৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

‘ঝালমুড়ি খেয়েছি, ঝাল লেগেছে তৃণমূলের’—কৃষ্ণনগরে তীব্র আক্রমণ মোদীর

প্রথম দফার ভোট চলাকালীনই আবার বাংলায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী প্রচারে নদিয়ার কৃষ্ণনগর-এ জনসভা করে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরে বাংলায় এত বেশি ভোটদান আগে হয়নি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, হিংসামুক্ত ভোটের দিকেও এগোচ্ছে রাজ্য।সভা থেকে মোদি জানান, বাংলায় ভোটের পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি জয়ের ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী সুরে বলেন, ৪ মে বাংলায় পদ্ম ফুটবে। মিষ্টি বিলি হবে, ঝালমুড়িও বিলি হবে। তাঁর মতে, রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে এবং মানুষের মধ্যে ভরসা বাড়ছে।এই সভা থেকে ফের ঝালমুড়ি প্রসঙ্গও তুলে আনেন তিনি। সম্প্রতি ঝাড়গ্রামে তাঁর ঝালমুড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, আমি ঝালমুড়ি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল লেগেছে তৃণমূলের। তাঁর এই মন্তব্যে সভাস্থলে হাসির রোল পড়ে। তিনি দাবি করেন, বহু বছর পর বাংলায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট এবং উত্তর থেকে দক্ষিণসব জায়গায় মানুষ পরিবর্তন চাইছেন।সভায় দাঁড়িয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের উদ্দেশেও বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, তাঁদের কোনও ভয় পাওয়ার দরকার নেই এবং কেউ তাঁদের ক্ষতি করতে পারবে না। ক্ষমতায় এলে নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করার আশ্বাসও দেন তিনি। তাঁর কথায়, ৪ মে-র পর থেকে নতুন সুরক্ষার গ্যারান্টি শুরু হবে।ভোটের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য ও প্রতিশ্রুতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রী তদন্তে ঢুকতেই প্রশ্নে গণতন্ত্র! সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য, তুষার মেহতার বড় অভিযোগ

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। বুধবার বিচারপতি পি কে মিশ্র গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে জানান, কোনও মুখ্যমন্ত্রী যদি কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে গণতন্ত্রের উপর প্রশ্ন উঠে যায়। এই মন্তব্যের পর বৃহস্পতিবার শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা একের পর এক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।ঘটনার সূত্রপাত আইপ্যাক অফিসে ইডির তল্লাশি ঘিরে। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান এবং কিছু নথি ও ডিজিটাল সামগ্রী নিয়ে বেরিয়ে আসেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে মামলা দায়ের হয়। রাজ্যের তরফে ইডির তদন্তের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, আর সেই বিষয়েই এদিন আদালতে নিজের সওয়াল পেশ করেন তুষার মেহতা।তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। তাঁর বক্তব্য, আইনের শাসন বজায় রাখা সংবিধানের একটি মৌলিক অধিকার এবং তা লঙ্ঘিত হয়েছে। কয়লা পাচার মামলায় বিপুল টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সেই তদন্তে ইডি কাজ করছে এবং তাদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন। তাঁর আরও দাবি, বেআইনি অর্থ বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে অন্য রাজ্যে গিয়ে পরে আইপ্যাকের কাছে পৌঁছেছে।মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, তদন্ত চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল যন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইডি আধিকারিকদের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই ঘটনার পর ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়, সেটিকেই চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আসা হয়েছে বলে জানান তুষার মেহতা। তিনি নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান।তুষার মেহতা আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলের নজরদারি ক্যামেরার তথ্য এবং কর্মীদের মোবাইল ফোন পর্যন্ত পুলিশ নিয়ে গেছে। তাঁর কথায়, যাঁরা নিজেরাই তদন্তের আওতায় রয়েছেন, তাঁদের রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।হাইকোর্টের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুনানির আগেই কোর্টরুমে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। যদিও বিচারপতি পি কে মিশ্র জানতে চান, এই বিষয়ের সঙ্গে মামলার সরাসরি সম্পর্ক কী। জবাবে তুষার মেহতা জানান, ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ না থাকায় তারা উচ্চ আদালতের পরিবর্তে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আসতে বাধ্য হয়েছেন।তিনি অতীতের একাধিক ঘটনার উল্লেখও করেন। কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারকে ঘিরে সিবিআই তদন্তের সময় মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকার প্রসঙ্গ তোলেন। অভিযোগ করেন, তদন্তে বারবার বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং আদালতের কাজেও প্রভাব ফেলার চেষ্টা হয়েছে।জানুয়ারি মাসে আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির ঘটনার পর এই মামলা শুরু হয়। সেই মামলার শুনানি এখন সুপ্রিম কোর্টে চলছে। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও শুনানিতে তুষার মেহতা বিস্তারিত সওয়াল করেন এবং একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চারটার পরেই আগুন! বীরভূমে ভোটকেন্দ্রে তুমুল সংঘর্ষ, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মারধর

বীরভূমের খয়রাশোল এলাকায় ভোট চলাকালীন হঠাৎই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বিকেল চারটার পর থেকেই অশান্তির আশঙ্কা ছিল বলে আগে থেকেই সতর্ক করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়ে ওঠে। দুবরাজপুর বিধানসভার খয়রাশোল ব্লকের বুধপুর গ্রামের একটি বুথে আচমকাই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে তা খণ্ডযুদ্ধে পরিণত হয়।স্থানীয় ভোটারদের অভিযোগ, ইভিএমে নির্দিষ্ট বোতাম চাপলেও অন্য প্রার্থীর পক্ষে ভোট চলে যাচ্ছে। প্রায় দুইশো ভোট পড়ার পর এই বিষয়টি ধরা পড়ে বলে দাবি করেন গ্রামবাসীরা। এই অভিযোগ ঘিরে ভোটারদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয় এবং তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে ভোট প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবি তোলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে ইঞ্জিনিয়ারদের আসার কথা জানানো হয়। কিন্তু তার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের তীব্র বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ, স্থানীয়রা জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে শুরু করেন এবং মারধরও করা হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন জওয়ান ও গাড়ির চালক আহত হন। বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে এগোতে দেখা যায়। গোটা এলাকায় এখনো চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হাবড়া-অশোকনগরে মেট্রো! অমিত শাহের বড় ঘোষণা, স্বপ্ন না কি ভোটের প্রতিশ্রুতি?

হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো চালুর প্রতিশ্রুতি ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনায়। বুধবার হাবড়ার একটি জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেন, এই দুই শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই বক্তব্য সামনে আসতেই জল্পনা শুরু হয়েছে সর্বত্র।হাবড়ার বাণীপুর চৌমাথা সংলগ্ন আম্বেদকর মাঠে আয়োজিত সভায় তিনি দলীয় প্রার্থী দেবদাস মণ্ডল ও অশোকনগরের প্রার্থী সুময় হীরার সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সেখানেই তিনি জানান, মেট্রো চালু হলে হাবড়া ও অশোকনগরের পরিবহণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যারও সমাধান হতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।হাবড়া ও অশোকনগর, দুই এলাকাতেই প্রতিদিন প্রচুর মানুষের যাতায়াত হয়। বিশেষ করে হাবড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী কেন্দ্র। এখানে চালের বড় বাজার ও সুতির কাপড়ের হাট রয়েছে, যার জন্য বহু মানুষ প্রতিদিন এই শহরে আসেন। ফলে প্রায়ই তীব্র যানজট তৈরি হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, মেট্রো চালু হলে মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।তবে এই ঘোষণার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বাস্তবতা নিয়ে। অনেকের মতে, এখনও পর্যন্ত বারাসত বা বারাকপুর পর্যন্ত প্রস্তাবিত মেট্রো প্রকল্পের কাজই শুরু হয়নি। জমি সংক্রান্ত সমস্যা ও অন্যান্য জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে হাবড়া পর্যন্ত মেট্রো পৌঁছনো আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকেই।কলকাতায় দেশের প্রথম মেট্রো চালু হলেও পরবর্তী সময়ে খুব বেশি দূর পর্যন্ত তার সম্প্রসারণ হয়নি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই অনেকের মতে, হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো পরিষেবা চালুর ঘোষণা আপাতত স্বপ্নের মতোই শোনাচ্ছে। তবে এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হবে, সেটাই এখন দেখার।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনই তাণ্ডব! অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে পাথরবৃষ্টি, ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল আসানসোল

ভোটকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। মুর্শিদাবাদে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগের পর এবার আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।অগ্নিমিত্রা পালের অভিযোগ, বার্নপুরের রহমত নগর এলাকায় তাঁর গাড়ির উপর আচমকা হামলা চালানো হয়। তিনি জানান, এলাকায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে একটি স্কুলে ঢুকেছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার পরই তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া শুরু হয়। চলন্ত গাড়ির পিছনে একের পর এক পাথর আঘাত হানে। তাঁর দাবি, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলা চালিয়েছে। শুধু তাঁর গাড়িই নয়, সঙ্গে থাকা সাংবাদিকদের গাড়িতেও পাথর ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার পর তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান।এ দিনের সকালেই আসানসোলের রানিগঞ্জ এলাকায় পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় পুলিশের এক আধিকারিকের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা হয়। নিমচা ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক নাসরিন সুলতানা জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীর সঙ্গে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি গাড়ি রাখা যাবে না। এই নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়।এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, একই দিনে মুর্শিদাবাদে হুমায়ুন কবীরের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে জানা গেছে। তাঁর গাড়ির কাচ সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।রাজ্যের একাধিক জেলায় এভাবে প্রার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় ভোটের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনেই বিস্ফোরক মন্তব্য! গুণ্ডামির অভিযোগে সরব শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে বেরিয়েই সুর চড়ালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজের বুথে ভোট দিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলায় পরিবর্তন হবেই। তাঁর কথায়, এবার যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলে বাংলায় সনাতনবাদ বিপদের মুখে পড়বে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের কাজকে ভালো বললেও কিছু জায়গায় গুণ্ডামির অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁদের পোলিং এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।শুভেন্দু অধিকারী দীর্ঘদিন ধরেই নন্দীগ্রামের ভোটার। প্রতি নির্বাচনের মতো এবারও তিনি নিজের বুথে গিয়ে ভোট দেন। এদিন সকালে ব্রজমোহন তিওয়ারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বুথে গিয়ে ভোট দেন তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে বুথ স্তরের এক কর্মীর ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে এসেছেন।পরে তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু হিন্দু ভোটারকে ভয় দেখানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রাম বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর কেন্দ্র। প্রতি নির্বাচনে এখানে উত্তেজনা দেখা যায়।এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মূল লড়াই তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে। একদিকে শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে তাঁর প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ পবিত্র কর তৃণমূলের প্রার্থী। এই দুই প্রার্থীর লড়াই ঘিরে আগেই উত্তাপ বেড়েছিল। ভোটের দিন সকালে নিজেই ভোট দিয়ে পরে দলীয় কার্যালয়ের দিকে রওনা দেন শুভেন্দু।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ইডির সমনে হাজিরা দিতে হবে সুজিত বসুকে! হাইকোর্টে বড় রায়

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুকে ঘিরে নতুন মোড়। এই মামলায় তাঁকে বারবার তলব করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। তবে আপাতত কিছুটা স্বস্তি পেলেন তিনি। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এখনই হাজিরা দিতে হবে না, তবে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরা দিতেই হবে।দুবছর আগে এই মামলায় চার্জশিট জমা পড়লেও সেখানে সুজিত বসুর নাম ছিল না। তবুও ভোটের আগে থেকে তাঁকে একাধিকবার তলব করা হয়। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁকে বারবার সমন পাঠানো হচ্ছিল। একবার তিনি নিজে না গিয়ে নিজের ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু তা গ্রহণ করেনি তদন্তকারী সংস্থা।এরপর আবার তাঁকে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরার জন্য ডাকা হয়। তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেন, ভোট চলাকালীন তিনি প্রার্থী হওয়ায় এখন হাজিরা থেকে ছাড় দেওয়া হোক। তাঁর দাবি ছিল, ভোট শেষ হওয়ার পর তাঁকে ডাকা হোক। অন্যদিকে তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তাঁকে বারবার ডাকা হলেও তিনি সহযোগিতা করছেন না।সব দিক বিবেচনা করে আদালত জানিয়েছে, আগামী ১ মে সকাল সাড়ে দশটায় তাঁকে হাজিরা দিতে হবে। নিজের জায়গায় অন্য কাউকে পাঠানো যাবে না। তবে যেহেতু তিনি ভোটে প্রার্থী, তাই এই সময়সীমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হুমায়ুনকে ঘিরে তাণ্ডব! গাড়ি ভাঙচুর, বাঁশ ফেলে অবরোধ

ভোটের দিন মুর্শিদাবাদের নওদায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছল। সকালে ১৭৩ এবং ১৭৪ নম্বর বুথের কাছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে রাস্তার উপরেই চেয়ার পেতে বসে পড়েন হুমায়ুন কবীর।কিছুক্ষণের জন্য পরিস্থিতি শান্ত হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি। প্রায় দুঘণ্টা রাস্তার উপর বসে থাকার পর সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় রাস্তার উপর বাঁশ ফেলে তাঁর গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করা হয়। তাঁর কনভয়ে থাকা গাড়িতে ভাঙচুর এবং এজেন্টের গাড়িতে হামলার অভিযোগও ওঠে।এর পরেই আবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। দুই পক্ষের মধ্যে লাঠি ও বাঁশ নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে এগিয়ে যান জওয়ানরা। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় এলাকা ছাড়তে সক্ষম হন হুমায়ুন কবীর।ঘটনার পর এলাকায় এখনও উত্তেজনা রয়েছে। ভোটের দিন এমন ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal